কুরআনুল কারীমের সুন্দরতম দু’আ

আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের একত্ববাদে বিশ্বাস করে, তাঁর সার্বভৌম ক্ষমতাকে মেনে রব হিসেবে স্বীকার করে মুসলমান হবার পর থেকেই জেনেছি, আমাদের জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপ কেবল তাঁরই রহমতের প্রত্যাশায়, সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য। আর তাই, দু’আ/প্রার্থনা করেই আমাদের রব, দয়াময় আল্লাহর কাছ থেকে জীবনের মূহুর্তগুলোর জন্য সাহায্য চাই আমরা। কীভাবে, কতটা সুন্দর আর নিপুণভাবে চাইলে আল্লাহ পছন্দ করেন — সেটা আমরা জানতে পারি পূর্ববর্তী নবী-রাসূলগণ কীভাবে আল্লাহর সাহায্য চেয়েছেন তা থেকে। তাই, পবিত্র কুরআনুল কারীমেই পাওয়া যায় সুন্দরতম মুনাজাত/প্রার্থনা/দু’আ। নিশ্চয়ই আল্লাহ বান্দার দু’আ কবুল করেন। পৃথিবীর বুকে কেবলমাত্র দু’আ আমাদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে। দু’আ হলো দয়াময় আল্লাহর অপার ক্ষমতার কাছে প্রার্থনা করে নিজের জন্য চেয়ে নেয়া। আমি প্রাত্যহিক কুরআন পাঠে যেসব দু’আ চোখে পড়ে, আল্লাহর কাছে চাইলে হৃদয় আর্দ্র হয় — তেমন কিছু দু’আ এখানে একত্রিত করার চেষ্টা করবো। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের উপর সন্তুষ্ট হোন, ক্ষমা করুন।

[১]. رَ‌بَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّ‌يَّاتِنَا قُرَّ‌ةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَا

** “হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের স্ত্রীদের পক্ষ থেকে এবং আমাদের সন্তানের পক্ষ থেকে আমাদের জন্যে চোখের শীতলতা দান কর এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের জন্যে আদর্শস্বরূপ কর।”
[সূরা ফুরক্কানঃ ৭৪]

বিস্তারিত পড়ুন

2 টি মন্তব্য

Filed under ইসলামের শিক্ষা, দুআ বা প্রার্থনা

দ্যূতিময় কুরআনঃ সূরা ফালাক [১]

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

পবিত্র কুরআনুল কারীমের ১১৩ নম্বর সূরা হচ্ছে সূরা ফালাক্ক। সর্বশেষ তথা ১১৪ নাম্বার সূরার নাম সূরা নাস। সূরা ফালাক এবং সূরা নাসকে একত্রে মুআওবিদাতাইন’ (যার অর্থ, আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়ার দু’টি সূরা) বলা হয়ে থাকে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই নামকরণ করেছিলেন।

পূর্ববর্তী সূরা ইখলাসের সাথে এই সূরার সম্পর্ক রয়েছে, পরবর্তী সূরা নাসের সাথেও সম্পর্ক রয়েছে। সূরা ফালাক এবং সূরা ইখলাস এর শুরু হয়েছে “ক্কুল” (বলো) শব্দটি দিয়ে; তারপর রাব্বুল ফালাক্ক (আল্লাহ) এর কথা বলা হয়েছে। আবার, সূরা ফালাক আর সূরা নাস — এই সূরা দু’টিকে নবীকরীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অনেক সময় পরপর দু’রাকাতে পড়েছেন। আরবি না জেনে যারা সূরা ফালাক্ক আর সূরা নাস পড়েন, তারাও বুঝতে পারবেন “ক্কুল আউযু বি রাব্বিল ফালাক্ক” এবং “ক্কুল আউযু বি রাব্বিন নাস” — সূরা দু’টির মাঝে মিল রয়েছে। ক্লাসিকাল তাফসীরগ্রন্থসমূহে এই সূরা দু’টির তাফসীরকে একত্রে বর্ণনা করা হয়েছে।

সূরা ফালাক্ক এবং সূরা নাস — উভয় সূরা দু’টিতেই আল মুসতাআদ মিনহু [যার কাছ থেকে সাহায্য চাওয়া হচ্ছে] এবং আল মুসতাআদ বিহি [যার কাছে সাহায্য চাওয়া হচ্ছে] এর উল্লেখ আছে। এই দু’টি সূরাতেই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার সৃষ্টিসমূহের কাছ থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া হয়েছে, সাহায্য চাওয়া হয়েছে।
বিস্তারিত পড়ুন

2 টি মন্তব্য

Filed under সূরা ফালাক

কী অপূর্ব এই কুরআন তিলাওয়াত!

কুয়েতে জন্মগ্রহণকারী শেখ মিশারি আল আফাসীর সুললিত কণ্ঠের একটি কুরআন তিলাওয়াত এটি। আল্লাহ মানুষের কণ্ঠে যে কী দারুণ মাধুর্য দিয়েছেন তা এই কুরআনের এই তিলাওয়াত শোনার পর অনুধাবন করেছি। এখানে “সূরা ইবরাহীম”-এর ২৮ – ৫২ আয়াত পর্যন্ত তিলাওয়াত করা রয়েছে। এই অংশটুকু সালাত আদায়ের সময় ধারণকৃত।

3 টি মন্তব্য

Filed under আল কুরআন

প্রিয় রাসূলের (সা) প্রতি ভালোবাসা

“তোমাদের কেউই পূর্ণ ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে তার ভাইয়ের জন্য তা-ই পছন্দ না করবে যা সে নিজের জন্য পছন্দ করে।” [বুখারী ও মুসলিম]

খেতে বসে বড় মিষ্টিটা খেয়ে অন্যদের ছোটটা দেয়া না, নিজে ভালো কিছু উপভোগ করে অন্যকে গল্প বলা না — বরং নিজের জন্য ভালো মনে করা জিনিসটা আরেকজনের জন্য করাই ছিলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শিক্ষা। তিনি নিজে তা-ই করতেন, শিখিয়েছেন মানুষকে। তিনি নিষেধ করেছেন ঘৃণা ও বিদ্বেষ ছড়াতে। বলেছেন সুসংবাদ দিতে। ভালো কথা বলতে, দান করতে, অন্ততপক্ষে আরেকজনের সাথে হাসিমুখে কথা বলতে…

“তোমরা সহজ নীতি ও আচরণ অবলম্বন করো, কঠোর নীতি অবলম্বন করো না।
সুসংবাদ শুনাতে থাকো এবং পরস্পর ঘৃণা ও বিদ্বেষ ছড়িও না।” [বুখারী ও মুসলিম]

এই সুন্দরতম মন আর হৃদয়ের সেরা মানুষটাকে নিয়ে যারা অপবাদ দেয়, তারা হয় উন্মাদ নইলে নরাধম। আমাদের প্রিয় নবীর প্রতি ভালোবাসা জ্ঞাপন করছি, আমৃত্যু করবো ইনশাআল্লাহ…

মন্তব্য দিন

Filed under মুহাম্মাদ (সা) এর প্রতি ভালোবাসা

রামাদান

বছর ঘুরে আমাদের মাঝে এসেছে রামাদান মাস। সিয়াম সাধনার মাস। আল্লাহ আমাদের রামাদান দিয়েছেন, যার ফলে আমরা হয়ত পরহেজগারী অর্জন করতে পারবো। কুরআনুল কারীমে তিনি বলেনঃ

“হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোজা ফরয করা হয়েছে, যেরূপ ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা পরহেযগারী অর্জন করতে পার। ” — [সূরা বাকারাহঃ ১৮৩]

রোযায় পানাহার এবং শারীরিক চাহিদাকে সংযত করার মাধ্যমে এবং আল্লাহর নির্দেশিত উপায়ে পূরণ করার মাধ্যমে আমাদের মাঝে একটা শক্তি তৈরি হবে, একটা আধ্যাত্মিক বোধ তৈরি হবে আমাদের পরহেজগার হতে, তাকওয়া সম্পন্ন হতে সাহায্য করতে পারে।

আল্লাহ তা’আলা কুরআনুল কারীমের বলেছেনঃ

“রমযান মাসই হল সে মাস, যাতে নাযিল করা হয়েছে কোরআন, যা মানুষের জন্য হেদায়েত এবং সত্যপথ যাত্রীদের জন্য সুষ্পষ্ট পথ নির্দেশ আর ন্যায় ও অন্যায়ের মাঝে পার্থক্য বিধানকারী। কাজেই তোমাদের মধ্যে যে লোক এ মাসটি পাবে, সে এ মাসের রোযা রাখবে। …… ”
— [সূরা বাকারাহঃ ১৮৫]

পবিত্র কুরআনের কারণে আমাদের এই রামাদান বিশেষ তাৎপর্যময় হয়েছে। এই মহান গ্রন্থ কুরআন নিয়ে এই আয়াতে আছে দু’টি কথার উল্লেখঃ

১) তা আমাদের জন্য হিদায়াহ এবং সত্যপথ যাত্রীদের জন্য সুষ্পষ্ট পথ নির্দেশনা
২) ন্যায় ও অন্যায়ের মাঝে পার্থক্য বিধানকারী

আমরা যারাই আল্লাহ রাব্বুল আলামীনকে আমাদের স্রষ্টা হিসেবে মেনে নিয়েছি, তারাই চাই হিদায়াহ এং সত্য পথের সুস্পষ্ট নির্দেশনা — যা কুরআন পাঠের মাধ্যমেই আমরা পাবো।

কী করতে পারি এই রামাদানে আমরা?

কিছু প্ল্যান করে ফেলতে পারি। এর ফলে আমাদের সময়ে কল্যাণ পাওয়া যাবে। প্ল্যান থাকলে সময় নষ্ট কম হয়।

কুরআন এবং নামাযঃ

  • আসুন রামাদানের দিনগুলোকে কুরআনের বেশি বেশি পাঠের মাধ্যমে আলোকিত করি। যারা আরবিতে ভালো মতন পড়তে পারিনা, তারা যেন শুদ্ধ উচ্চারণ করে পড়া শিখে ফেলি — তাহলে নামাযে আমাদের মনোযোগ আসবে, গভীরতা বাড়বে, আল্লাহর সাথে আমাদের যোগাযোগ হবে সুন্দর।
  • যারা আরবিতে পড়তে পারি তারা যেন বেশি করে তিলাওয়াত করি এবং কুরআনের অর্থ এবং তাফসির পড়তে পারি। দিনে আধা ঘণ্টা করে দুই বেলা সময় দিলেই এই অভ্যাসটা দাঁড়িয়ে যাবে।
  • মনোযোগ দিয়ে ধীরে, সুন্দর তিলাওয়াতে নামায পড়বো ইনশাআল্লাহ। রামাদানের একটি নফল ইবাদাতেও একটি ফরযের সাওয়াব পাওয়া যায়। আর আল্লাহ এই মাসে তার ইচ্ছেমতন দান করবেন আমাদের ভালো কাজের বিনিময়।

আনুসঙ্গিক লিঙ্কঃ তানজিল ডট নেট :: এই ওয়েবসাইটে গিয়ে বিভিন্ন ক্বারীর তিলাওয়াত এবং কুরআনের আরবি ও বাংলা-ইংরেজি অনুবাদ পাওয়া যাবে।

নিঃসন্দেহে আল্লাহ আমাদের দুনিয়ার জীবনের সমস্ত সমস্যার সমাধান রেখেছেন এই কুরআনুল কারিমের মাঝেই। আমাদের প্রয়োজন বেশি করে পড়া।

দুআ এবং যিকিরঃ

চলার পথে আমরা তাসবীহ পড়তে পারি, যিকির করতে পারি আল্লাহর নামগুলোকে ঘিরে শুদ্ধ উচ্চারণে, অনুভবে। এতে সর্বশক্তিমান আল্লাহর স্মরণে আমাদের আত্মা প্রশান্তি পাবে, তাঁর সাথে আমাদের সম্পর্ক উন্নত হবে। আমরা আল্লাহকে ডাকলে, তিনি তো আমাদের প্রার্থনা কবুল করে নেন। তাই দরকার অনেক অনেক দুআ করা।

আল্লাহ সূরা বাকারাহ এর ১৮৬ নাম্বার আয়াতে বলেছেনঃ

“যারা প্রার্থনা করে, তাদের প্রার্থনা কবুল করে নেই, যখন আমার কাছে প্রার্থনা করে। কাজেই আমার হুকুম মান্য করা এবং আমার প্রতি নিঃসংশয়ে বিশ্বাস করা তাদের একান্ত কর্তব্য। যাতে তারা সৎপথে আসতে পারে।” — [সূরা বাকারাহ :১৮৬]

আনুসঙ্গিক লিঙ্ক:

  1. এখানে আমরা কুরআনে উল্লেখিত কিছু দুআ পেতে পারিঃ কুরআনুল কারীমের সুন্দরতম দুআ
  2. বিভিন্ন দুআর উপরে একটি পূর্ণাঙ্গ ওয়েবসাইটঃ Make Dua

সময় নষ্ট না করা ও ঝগড়া-বিবাদ এড়িয়ে চলা

  • রামাদান মাসে আমাদের একটা চেষ্টা করা দরকার যেন কোন সময় অযথা নষ্ট না হয়।
  • সাহরি ইফতারে বেশি খেয়ে শরীর ভারি করে ফেললে ইবাদাত করা কঠিন হয়ে যাবে।
  • অযথা খারাপ কথা আর ঝগড়া করা এড়িয়ে চলতে হবে।
  • মিথ্যা কথা বলা পরিহার করতে হবে।
  • অশ্লীল কোন কিছু থেকে চোখ-কান এবং ইন্দ্রিয়সমূহকে দূরে রাখতে হবে।

মোটকথা, এই সময়ে শয়তানকে বেঁধে রাখা হয় বলে সে ওয়াসওয়াসা দিতে পারে না। কিন্তু আমাদের পূর্ববর্তী খারাপ কাজের অভ্যাসগুলো হয়ত আমাদের টেনে নিয়ে বেড়াবে। এই অভ্যাসের সাথেই আমাদেরা আত্মিক-মানসিক আর শারীরিক যুদ্ধ। আর এই চেষ্টার বিনিময় দিবেন আমাদের রব আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা যা অকল্পনীয় এক বিনিময়।আল্লাহ বলেছেন যে সাওম আমারই জন্য, আমি নিজেই তার প্রতিদান দেব। না জানি সেই প্রতিদান কত মনোরম! ^_^

আল্লাহ আমাদের সবাইকে কুরআনকে ঘিরে জীবন গড়ার তাওফিক দান করুন। একটা সুন্দর কল্যাণময় রামাদান মাস আমাদের জন্য যেন আগামীতে ভালো কাজের প্রেরণা হয়ে যায়, যেন আমরা রাহমাত, মাগফিরাত এবং নাজাত লাভ করতে পারি এই রামাদানের উসিলায়…

কিছু সুন্দর ওয়েবলিঙ্ক:

মন্তব্য দিন

Filed under আল কুরআন

খালিদ আল জুহাইমের মনোমুগ্ধকর তিলাওয়াত

খালিদ আল জুহাইম মসজিদ আল কাবীর (কুয়েতের গ্রান্ড মসজিদ) এর একজন ইমাম। পৃথিবীর সবচাইতে নামকরা কুরআন তিলাওয়াতকারী মিশারী আল আফাসীও এই মসজিদে ইমামতি করে থাকেন। প্রাণজুড়ানো এই তিলাওয়াতটি তারাবীহের নামাযের প্রথম রাকাআতে করা হয়। সূরা ইউসুফের প্রথম বিশটি আয়াত তিলাওয়াত করেন ২০ রামাদান, ১৪২৯ হিজরী রাতে, ২০০৯ সালে।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা এই মানুষটিকে দুনিয়া এবং আখিরাতে উত্তম প্রতিদান দান করুন যেন তা অনন্ত জীবনে উনার মুক্তির বদলা হয়ে যায়। আর আমাদের মতন মানুষদের আল্লাহ হিদায়াহ দিন।

তিলাওয়াতকৃত আয়াতসমূহের বঙ্গানুবাদ [যদিও বঙ্গানুবাদ কখনই কুরআনুল কারীমের শব্দালংকারের সৌন্দর্য বহন করতে পারেনা, শুধু শাব্দিক অর্থ বহন করে] পড়তে চাইলে তানজিল ডট নেটে পাওয়া যাবে।

মন্তব্য দিন

Filed under আল কুরআন

চরিত্রের সৌন্দর্য

  • হযরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ

    “যার চরিত্র যত সুন্দর এবং নিজ পরিবারের সাথে যার ব্যবহার যত নম্র ও কোমল, তার ঈমান ততই পূর্ণাঙ্গ এবং পরিপক্ক।” [তিরমিজী, হাকেম]

    * আত তারগীব ওয়াত তারহীব – ১৩৬৪

  • হযরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ

    “আল্লাহ তায়ালা কোমলচিত্ত। সবকিছুতে তিনি কোমলতাকে পছন্দ করেন। ” [বুখারী ও মুসলিম]

    * আত তারগীব ওয়াত তারহীব – ১৩৮৯

  • হযরত আবু দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ

    “যাকে বিনয় ও নম্রতা দান করা হয়েছে, তাকে যাবতীয় কল্যাণ দান করা হয়েছে। আর যাকে বিনয় ও নম্রতা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে, তাকে যাবতীয় কল্যাণ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।” [তিরমিযী]

    * আত তারগীব ওয়াত তারহীব – ১৩৯২

  • হযরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ

    “নম্রতা ও কোমলতা যে জিনিসেই থাকবে, তা সুন্দর ও সুষমামন্ডিত হবে, আর কঠোরতা যে জিনিসেই থাকবে, তা কুৎসিত এবং অকল্যাণকর হবে” [মুসলিম]

    * আত তারগীব ওয়াত তারহীব – ১৩৯০

মন্তব্য দিন

Filed under চারিত্রিক উন্নয়ন

সময় শেষ হবার আগেই সাবধান হতে হবে

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন পবিত্র কুরআনুল কারীমে আমাদেরকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেছেনঃ

“হে সেই সব লোকেরা যারা ঈমান এনেছ, তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তানাদি যেন তোমাদেরকে আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল করে না দেয়। যারা এরূপ করবে, তারাই ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকবে।

আমি তোমাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তোমাদের কারো মৃত্যুর সময় আসার পূর্বেই তা থেকে খরচ করো।
সে সময় সে বলবেঃ হে আমার রব, তুমি আমাকে আরো কিছুটা অবকাশ দিলেনা কেন? তাহলে আমি দান করতাম এবং নেককার লোকদের মধ্যে শামিল হয়ে যেতাম।

অথচ যখন কারো কাজের অবকাশ পূর্ণ হয়ে যাওয়ার সময় এসে যায় তখন আল্লাহ তাকে আর কোন অবকাশ মোটেই দেন না।

তোমরা যা কিছু করো, সে বিষয়ে আল্লাহ পুরোপুরি অবহিত।”

— [সূরা মুনাফিকুনঃ আয়াত ৯-১১]

মন্তব্য দিন

Filed under বিভাগবিহীন

আমাদের চাওয়া এবং আমাদের পাওয়া

মানুষ যা চায়, তাই কি পায়? — [সূরা নাজমঃ ২৪]
এবং মানুষ তাই পায়, যা সে করে — [সুরা নাজমঃ ৩৯]

মানুষ যা চায়, তাই কি পায়? অতএব, পরবর্তী ও পূর্ববর্তী সব মঙ্গলই আল্লাহর হাতে। আকাশে অনেক ফেরেশতা রয়েছে। তাদের কোন সুপারিশ ফলপ্রসূ হয় না যতক্ষণ আল্লাহ যার জন্যে ইচ্ছা ও যাকে পছন্দ করেন, অনুমতি না দেন।

[সূরা নাজমঃ ২৪-২৬]

এবং মানুষ তাই পায়, যা সে করে, তার কর্ম শীঘ্রই দেখা হবে। অতঃপর তাকে পূর্ণ প্রতিদান দেয়া হবে। তোমার পালনকর্তার কাছে সবকিছুর সমাপ্তি, এবং তিনিই হাসান ও কাঁদান , এবং তিনিই মারেন ও বাঁচান

[সূরা নাজমঃ ৩৯ – ৪৪]

মন্তব্য দিন

Filed under বিভাগবিহীন